রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন

বেড়ায় নিঃসন্তান চাচার সম্পত্তি আত্মসাৎ এর অভিযোগে ভাতিজি সোহাগির বিরুদ্ধে স্বজনদের মানববন্ধন

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

বেড়া প্রতিনিধি: পাবনা বেড়ায় নিঃসন্তান চাচার সম্পত্তি আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে আপন ভাতিজি সোহাগির বিরুদ্ধে। এঘটনায় ভুক্তভোগী বাকি দুই চাচার পরিবারের সদস্যরা আজ শনিবার (০৮ আগস্ট) সকাল ১১ টার দিকে বেড়া পৌরসভার হাতিগাড়া মহল্লায় মানববন্ধন করে।

পারিবারিক সূত্র জানা যায়, আকবর আলী প্রামানিক এর ৪ ছেলে ও ২ মেয়ে। তাদের মধ্যে তজি পাগলা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তার কোন সন্তান সন্তানাদি ছিল না। সে মারা যাওয়ার পর এই সুযোগ নিয়ে তালেব আলীর মেয়ে আনজেলা খাতুন সোহাগী ও তার স্বামী শাহজাহান ব্যপারী দুই দফায় ভুয়া জাল দলিল করে নিজের নামে লিখে নেয়ার প্রচার ও ভোগদখল করছেন। সম্পর্কে আনজেলা খাতুন সোহাগী তজি পাগলার আপন ভাতিজি।

এঘটনার দির্ঘদিন পর তজি পাগলার স্বজনরা জানতে পারে তিনি নিঃসন্তান হওয়ায় কাউকে লিখে দিয়ে জান নাই।

মানববন্ধনে ডাক্তার কেরামত আলী অভিযোগ করে বলেন, এই আমার তজি চাচা মারা যাওয়ার আগে সোহাগী চাচাকে উপজেলার হাটুরিয়া-নাকালিয়া ইউনিয়নের নাকালিয়া গ্রামে তার বাড়িতে দেখভালের কথা বলে তার বাড়িতে রাখেন। আমি ২ মাস পর জানতে পারি তজি চাচা মারা গেছেন। আমার চাচা হওায় সত্বেও এই সোহাগী আমাদেরর মারা যাওয়ার বিষয়ে কিছু জানান নাই। তবে কবে কোথায় কিভাবে তজি চাচাকে দাফন করেছে আমাদের বংশের কেউ জানে না। এমনকি কোথায় তাকে কবর দেয়া হয়েছে সেটাও কেউ এখন পর্যন্ত যানে না। আমার তো মনে হয় সম্পত্তির লোভে সোহাগী ও সোহাগী স্বামী তাকে হত্যা করে লাস ও গায়েব করে দিয়েছে। আর এই জমি চাচাতো লিখে দেয় নাই, সোহাগি মিথ্যা ভুয়া বানোয়াট জাল দলিল বানিয়ে আমাদের সকলকে বিভ্রান্ত করছে। এই ঘটনার পুনরায় তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক বিচার চাই।

এঘটনা সম্পর্কে আব্দুল আলীম জানায়, আমার দাদা তজি পাগল সে নিঃসন্তান ছিলেন। সে নাকালিয় সোহাগীর বাড়িতে বেড়াতে যায়। তারপর আনজেলা খাতুন সোহাগীর কথা মত ২ মাস পর আমরা জানতে পাড়ি তজি চাচা তার বাড়িতে মারা যায় এবং তাকে নাকি জমি লিখে দিয়ে গেছে। আনজেলা খাতুন সোহাগীর এই কথা গুলো সম্পুর্ন মিথ্যা বানেয়াট ভিত্তিহীন। আমাদের তো মনে হয় চাচাকে ওরা স্বামী স্ত্রীর দুজন মিলেই মেরে ফেলেছে সম্পত্তির লোভে। তা না হলে চাচার হাতিগারায় সব আত্মীয়-স্বজন কেউ তার মারা যাওয়ার খবর জানতে পারে নাই। দেড় মাস দুই মাস পর জানতে পারে সে মারা গেছে। এই ঘটনায় প্রমাণ করে যে সোহাগীরা মিথ্যা আশ্রয় নিয়ে জমির জাল দলিল বানিয়েছে।

এদিকে অভিযুক্ত আনজেলা খাতুন সোহাগীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২
৩৪৫৬৭৮৯
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!