
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মোরগের কণ্ঠে শোনা যাচ্ছে ‘আল্লাহর’ নাম। মোরগটি বারবার শুধু আল্লাহর নাম ধরেই ডাকছে। বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ‘আল্লাহর’ নাম ধরে ডাকা মোরগটিকে দেখতে ভিড় করেছিলেন অনেকেই। ঘটনাটি ঘটেছে পাবনা সাঁথিয়া উপজেলার করমজা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড পুন্ডুরিয়া গ্রামে।
জানা গেছে, দেশি ওই মোরগটি দির্ঘদিন বাড়িতে পালন করছিলেন পুন্ডুরিয়া গ্রামের রহিম শেখ এর ছেলে সাব্বির। মোরগটিকে গত বৃহস্পতিবার রান্নার জন্য ধরলে ঠিক তখনই মোরগের কণ্ঠে আকস্মিক শোনা যায় ‘আল্লাহ, আল্লাহ’ ডাক। মোরগের জিকির করা দেখে অবাক হন স্থানীয়রা। মোরগটিকে দেখতে ভির জমান অনেকেই। পরে স্থানীয় পুন্ডুরিয়া দাখিল মাদ্রাসায় মোরগটিকে দান করে দেন সাব্বির। মোরগটিকে ৫শত দরে ক্রয় করে বাড়িতে নিয়ে জবাই করে খেয়ে ফেলেছেন মাদ্রাসার নাইডগার্ড।
মোরগের ‘আল্লাহ’ ডাকার এই চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। অন্যান্য মোরগ-মুরগির ডাক স্বাভাবিক থাকলেও এই মোরগটির কণ্ঠস্বর অন্যরকম। ঠিক মানুষের মতোই মোরগটি উচ্চঃস্বরে ‘আল্লাহ আল্লাহ’ করে ডাকছে! বিস্মিত পরিবারের দাবি, এটি সৃষ্টিকর্তার বিশেষ কুদরত।
সাব্বির জানান, জীবনে কত হাঁস, মুরগি, কবুতর পালন করেছেন সবাই। কিন্তু কখনো এমন ডাক শোনেননি। মোরগের গলায় ‘আল্লাহর’ নাম শুনে অবাক হয়েছেন সবাই। আমি জবাই করা বাদ দিয়ে অনেকটা ভয়ে মাদ্রাসায় দান করে দিয়ে এসেছি তারা কি করেছে আমার জানা নাই।
এ বিষয়ে পাঁচুরিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন বেলালী বলেন, ইসলাম ধর্ম মতে কেয়ামতের যেসব আলামত রয়েছে তাদের মধ্যে একটি হলো কিয়ামতের পূর্ব মূহুর্তে প্রাণী এবং জড় পদার্থ মানুষের সঙ্গে কথা বলবে। আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিন মানুষকে কথা বলার শক্তি দিয়েছেন। তিনি চাইলে অন্যান্য সৃষ্ট জীবকেও কথা বলার ক্ষমতা দিতে সক্ষম।
পুন্ডুরিয়ার দ্রাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল ওয়াদুৎ জানান, সাব্বির নামের ঐ ছেলেটা একটি মোরগ দান করে দিয়েছিল গত বৃহস্পতিবার। মোরগটিকে আমাদের নাইডগার্ড মোঃ করিম প্রাঃ (কারি) ৫শত টাকা দাম ধরে ক্রয় করে নিয়ে জবাই করে খেয়ে ফেলেছে তবে সে জানতো না যে মোরগটি আল্লাহ, আল্লাহ বলে ডাকে। তবে এ বিষয়ে আমি পরে জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে ইসলাম ধর্মে কোন হাদিস আছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার জানা নেই।