
স্টাফ রিপোর্টারঃ ভূমিদস্যু অবৈধ দখলকারীদের কবলে থাকা পিতার ওয়ারিশি সত্তের সম্পদ পৈত্রিক বাড়ি-ভিটা ও জমি উদ্ধারে মোঃ শিবলী ফোরকান থানা সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেও সুরাহা পাচ্ছেন না ভুক্তভোগী পরিবার।
ঘটনাটি পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার আমিনপুর থানার শ্যামপুর গ্রামে।
অভিযোগকারী মোঃ শিবলী ফোরকান জানান যে, আমার পিতা মোঃ লোকমান হোসেন সরকারী চাকুরীর সুবাদে দীর্ঘদিন যাবত রাজবাড়ী শহরের বিনোদপুর পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন এলাকায় স্থায়ী ভাবে বসবাস করে আসছি এবং পৌরসভার স্থায়ী বাসিন্দা। এই সুযোগে পাবনার বেড়া উপজেলার আমিনপুর থানার শ্যামপুর গ্রামের আমার পৈত্রিক ভিটা-বাড়ী ও জমিজমা ভূমিদস্যু মোঃ আব্দুর রশিদ মন্ডল (৭১), আঃ লতিফ মন্ডল (৫৫), মোঃ শাহাজান মন্ডল (৪৮) সর্ব পিতা মৃত. ইউসুফ মন্ডল এবং মোঃ লুৎফর রহমান ওরফে আবুল হাশেম মন্ডল (৫৩) পিতামৃত আঃ হাকিম মন্ডল গ্রাম দয়ালনগর, অবৈধভাবে ভোগদখল করছে । আমাদের অনুপস্থিতিতে আইন বিরুদ্ধ ভুয়া জাল-জালিয়াতি দলিল তৈরী করে অবৈধভাবে ভোগদখল পাশাপাশি এবং বিভিন্ন জমি বিক্রির পায়তারাও করছে। অভিযোগকারী শিবলী ফোরকান তার অভিযোগে উল্লেখ করেছেন যে, ১-৩ নং বিবাদীগণ কোনরূপ বন্টন-নামা দলিল না করেই, ওয়ারিশি জমি ওয়ারিশি বন্টন নামা ব্যতীত বেড়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গত ৩১/৩/১৯৯৪ ইং তারিখের দলিল নং ৮২১ চুম্বক কবলা দলিল দাতা মোঃ খলিলুর রহমান এর সঙ্গে যোগসাজসে কোন ওয়ারিশি বন্টন নামা না’ করেই ওয়ারিশি সম্পত্তি বিনা বণ্টন নামায় দলিল গ্রহীতা ও দাতা সংগোপনে আমার পিতার ওয়ারিশি সম্পদ আত্মসাৎ ও বঞ্চিত করে ১-৩ নং বিবাদীগণের নিজ মায়ের নামে, এক নং বিবাদী মোঃ আব্দুর রশিদ মন্ডল নিজে চুম্বক কবলা দলিল নং ৮২১ তর্কিত দলিলের সনাক্তকারী হয়ে নিজেই অবৈধ দলিল সৃজন করিয়া আমার পিতার ওয়ারিশি সত্বের পৈতৃক বাড়িভিটা ও জমি আত্মসাৎ করে জোরপূর্বক অবৈধভাবে ভোগ দখল করছে। ৪ নং বিবাদী লুৎফর রহমান ওরফে আবুল হাশেম মন্ডল তিনি বেড়া সাব রেজিস্ট্রি অফিসে ২৬/৬/১৯৯০ ইং তারিখে একই দিনে অবৈধভাবে পর-সম্পদ আত্মসাৎতের লক্ষ্যে জাল-জালিয়াতি করে, দলিলের মধ্যেই জাল-জালিয়াতির সুস্পষ্ট প্রমাণ বিদ্যমান রেখে ১৫২১ নং হেবা নামা দলিল এবং ১৫২২ নং বিক্রয় কবলা নামীয় শিরোনামের দুইটি জাল-জালিয়াতপূর্ণ দলিল সৃজন করিয়া জোরপূর্বক এবং প্রতারণা করে অবৈধভাবে আমার পিতার ওয়ারিশি সত্বের জমি আত্মসাৎ এর লক্ষ্যে জোরপূর্বক অবৈধভাবে ভোগ দখল করিতেছে। যার দলিল নাম্বার ১৫২১ হেবানামা ও ১৫২২ বিক্রয় কবলা দলিল। উল্লেখ্য যে অভিযোগ পত্রে উল্লেখিত বিবাদীগণ বিগত আওয়ামী সরকারের প্রভাব প্রতাপশালীদের ছত্রছায়ায় এবং বিবাদীগণ নিজেরাও ধৃত চতুর দাঙ্গাবাজ ও অবৈধ সুবিধা ভোগী। বিবাদীগণ মিথ্যা প্রতারণা ও জালিয়াতি পন্থা অবলম্বন করে স্থানীয়ভাবে সালিশ মীমাংসার নামে নিজেদের অবৈধ স্বার্থসিদ্ধি লাভ, ভূমির প্রকৃত বৈধ মালিকগণকে ঠঁকিয়ে কোণঠাসা করে বিবাদী গনের নিজস্ব কু-মানসিকতা মনোভাবের অবৈধ সন্ত্রাসী দ্বারা যত্রতত্র ভাবে গ্রামের সরল সাধারণ ভূমির মালিকগণদের কে বৈধ ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত এবং অবৈধ ভাবে একতরফা বিভ্রান্তিমূলক সিদ্ধান্তকে শালিশি রায় হিসেবে অক্ষায়িত ও বাস্তবায়িত করে। শিবলী ফোরকান আরো অভিযোগ করেন যে, ১ নং বিবাদী আব্দুর রশিদ মন্ডল এবং ৪ নং বিবাদী মোঃ লুৎফর রহমান ওরফে আবুল হাসেম মন্ডল নিজেরাই হাত নকশা ও মনগড়া পরিমাপক করে ভূমির প্রকৃত মালিকগণদের মধ্যে বিভেদ কোলাহল বিশৃঙ্খলা নৈরাজ্য ঘটিয়ে বিবাদি-গংদের অবৈধ ক্ষমতা দৃঢ় রাখে। অভিযোগকারী শিবলী ফোরকান তিনি, উল্লেখিত উক্ত দুর্ধর্ষ ও ভয়ংকারী, ভূমিদস্যু এবং জাল-জালিয়াতি দলিলের হোতাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি এবং তাঁহার পিতার ওয়ারিশি সম্পদ ও ভিটাবাড়ি এবং জমি ফিরিয়ে দিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।